সালমান খানের জীবনী

সালমান খানের জন্ম ১৯৬৫ সালে ২৭শে ডিসেম্বর।তার পিতার নাম সেলিম খান। তার মাতার নাম সুশিলা চরন। সালমান খানের বাবা পাঠান এবং মা হিন্দু। সালমান খানের পিতা সেলিম খান হচ্ছে অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার।এক সময় তিনি পুলিশেও চাকরি করেন। তার মা সুশিলা চরন ছিলেন দ্বিতীয় স্ত্রী। তার বাবা মার বিয়ে হয় ১৯৬৪ সালে।

তারপর তার বাবা ১৯৮১ সালে একসময়ের পর্দা কাপানো হ্যালেনকে বিয়ে করেন।তাদের প্রথম সংসারে সালমান সহ দুই ভাই ও এক বোন ছিলেন।তারপর দ্বিতীয় সংসারে তার বাবা অর্পিতা খানকে দত্বক নেয়। তাদের ভাই বোনদের মধ্যে সালমান খান সব থেকে বড়।

১৯৮৮ সালে "বিবি হো তো এছি" চলচিত্রের মাধ্যমে তার অভিষেক ঘটে। তারপর ১৯৮৯ সালে মুক্তি পায় তার সারা জাগানো ছবি " মেনে পেয়ার কিয়া"। তারপর আস্তে আস্তে সকল তরুন- তরুনির মনে জায়গা করে নেয় এই সালমান খান। এরপরে বছরের সেরা অভিনায়ক হিসেবে সেরা পুরুষ্কার পায়। এরপর থেকে একের পর এক ছবিতে তাকে দেখা গিয়েছে তাকে নতুন রুপে। এরপর ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত " তেরে নাম" ছবিতে বিশ্বে ঝড় তুলে দেয়। সবাই মনে করে তার সেরা ছবির মধ্যে এটি অন্যতম। এরপর ২০০৪ সালে পিয়াঙ্কা চর্পড়ার সালে " মুজছে সাদি কারোগি" ছবি করে এবং এর পরের বছর ২০০৫ সালে "নো এন্ট্রি " ছবিতে ব্যপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

কিন্তু তার পর থেকে সালমান খানের জীবনে আসে এক অন্ধকার অধ্যায়। ২০০৬, ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে তার মোট ১০টি ছবি মুক্তি পায়। যার মধ্যে মাত্র একটি ছবি জনপ্রিয়তা লাভ করে আর বাকি নয়টি ছবি ফ্লব খায়। কোনো মার্কেট পায় নি বাকি নয়টি ছবি। এরপর ২০০৯ সালে ওয়ান্টেড ছবিতে আবার তার হারানো মার্কেট ফিরে পায় বলেই বলা যায়। তারপর ২০১০ সালে দাবাং এবং ২০১১ সালে বডির্গাড ছবিতে আরো জনপ্রিয়তা লাভ করে। এরপর ২০১২ সালে "টাইগার" এবং ২০১৪ সালে" কিক" এবং ২০১৫ সালে "বাজরাংঙি বাইজান " এবং সর্বশেষ ২০১৭ সালে সুলতান ছবি।

এবং তারপর টিউব লাইট এবং টাইগার জিন্দাহে ছবিতে অভিনয় করে। তিনি অভিনয় ছাড়াও কয়েকটি গানে সুর দেয়। তার বয়স ৫০ এর ওপর পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো বিয়ে করে নি। বিয়ে না করলেও তার প্রেমিকার সংখ্যা কম না। সে সংগিতার সাথে অনেক মেলামেশা করতেন। তাকে বিয়ে করবেও ঠিক করে কিন্তু তা আর হয় না। এর পর তারা দুইজন ভালো বন্ধু হয়ে যায়। তারপর আসে ঔসোরিয়া। যার সাথে অনেক বছর সর্ম্পক ছিল কিন্তু তাও টিকে না।এরপর তার জীবনে আসে ক্যাটিনা কাইফ। কিন্তু এই সম্পক ও টিকে না। তিনি ভিবিন্ন কারনে বেশ কিছুবার জেলখানায় যেতে হয় তাকে। কিন্তু এখনো তিনি চলচিত্রের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এই ভাবে চলচিএের পাশে থাকতে চায়।

Leave a Comment