বাংলার নায়ক শাকিব খানের জীবনী

শাকিব খান ১৯৮৩ সালে ২৮ শে মার্চ নারায়নগঞ্জে জন্মগ্রহন করে। তার বাবা আবদুর রহমান ছিলেন সরকারি কর্মকতা। এবং তার মা ছিলেন নুজাহান একজন গৃহিনী। এবং তার পরিবারে ছিলেন এক ভাই ও এক বোন। শাকিব খানের আসল নাম হলেন মাসুদ রানা। ক্লাস নবম শ্রেনীতে থাকতে সে মাশালাটের প্রতি অগ্রহ থাকার কারনে নারায়নগঞ্জে মাশালাটে ভর্তি হয়ে যায় তিনি।কিন্তু এসএসসি পরে তার কিছু বন্ধুকে ভালো নাচতে দেখে সে নাচে ভর্তি হয়ে যায়।সেখানে ভাগ্য তাকে নিয়ে গেল পরিচালক আজিজ রেজার কাছে। আজিজের কাছ থেকে নাচ শিখেছিল।

তার শরীর দেখতে খারাপ ছিল বলে সে যেন দেখতে তারো একটু মোটা ও সুন্দয় হয় তার জন্য তাকে একটি রেস্টুরেন্ট দেখিয়ে দিল তার যখন যা ইচ্ছা খেতে পারবে তিনি। আর পরিচালক আজিজ রেজার অবদানেই আজকের এই শাকিব খান। একবার সে সুটিং দেখতে সামনে যায় তখন কিছুলোক তাকে বলে আপনি ছবি করবেন তারপর ছবি তুলতে শুরু করে।হঠাৎ একজন পরিচালকের চোখে পরে ৬.২ ইন্চি এই সুর্দশন এই বালকের দিকে।

তিনি ১৯৯৯ সালে সোহানোর রহমান সোহান পরিচালিত " অনন্ত ভালোবাসা " সিনামা দিয়ে বাংলাদেশের চলচিত্রে প্রবেশ করেন। তার বিপরিতে অভিনয় করেছিলেন মৌসুমির ছোট বোন ইরিন।ভালোবাসেও যর বাধা যায় না, এবং খোদার পরে মা, এই দুই চলচিত্রের জন্য তিনি জাতীয় পুরুষ্কার লাভ করে।এবং ভিবিন্ন সময়ে মোট সাত বার প্রথম আলো পুরুষ্কার লাভ করে। শাকিব খানের সাথে অভিনয়ে অপু বিশ্বাস ছিল জুটি। তারা দুই জনে মোট পচিশটি সিনেমায় অংশগ্রহন করে। তাদের প্রথম ছবি হলো "কটি টাকার কাবিন"।

তাদেরকে নিয়ে বিয়ের কাথাও শুনে এসেছি।কিন্তু শাকিব খান তা অস্বিকার করে।সে বলে তারা ভালো বন্ধু। তার ছবি এখন আন্তজাতিক ভাবে গননা করা হয়। সে ছবির জন্য নেয় পয়ত্রিশ লাখ এর ও বেশি। যা তার মাসিক গড় এক লাখ এর ও বেশি। এবং তার প্রতি সেকেন্ডের ও মূল্য এক টাকা ও অধিক। দেখতে দেখতে ২০১১ সালে তার চলচিত্র জগৎতে এক যুগ পূন্য হয়। আজ শাকিব খান হচ্ছে নাম্বার ওয়ান সারা বাংলাদেশে। পুরো ইন্ডাস্টি একাই টেনে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তিনি চলচিত্র সর্বপ্ররিশ্রমিক পায় তিনি। তিনি চলচিত্রের জন্য অনেক চেষ্টা করছেন। বাংলাদেশের চলচিত্রের মান বারানোর জন্য তিনি ভালো মানের ছবি করছেন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ভারত যৌথ চলচিত্রে অংশ নিয়েছেন।তিনি ভারতের শ্রাবন্তির সাথে" শিকারি" ছবি করে। যা বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে।এবং তিনি বাংলা চলচিত্রে সবসময় পাশে থাকবেন।

Leave a Comment