Samsong কম্পানির ইতিহাস

১.Samsong কম্পানির নামকরন ও উৎপত্তিস্থল ১৯৩৮-১৯৮০

স্যামস্যাং কম্পানিটি অনেক বড়। যেখানে সবরকম জিনিস নিয়ে কাজ করা হয়েছে। স্যামস্যাং তৈরির পিছনে কে আছে কীভাবে শুরু হলো এ বিশাল কম্পানিটি এগুলো জানতে হবে আমাদের আগে। তো আমরা জানি কীভাবে আবিষ্কার হলো এটি।

১৯৩৮ সালে উরিয়নং কসউন্টিতে একটি বৃহত্তর জমির মালিক পরিবারে জন্ম হয় লি বাইং-চুল। নিকটবর্তী দাগু শহরে চলে আসে এবং স্যামসুং সঙ্গোয় প্রতিষ্ঠান করে। শুরুতে এটি একটি ছোট্ট টে্রডিং সংস্থা হিসাবে শুরু হয়েছিল।এ চল্লিশ জন কর্মচারী নিয়ে একটি মদি দোকান ও মাছ নিয়ে কাজ করতো। সংস্থাটি উন্নতি হওয়ার পর এটিকে১৯৪০ সালে লি তার প্রধান কার্যালয় সিউলে স্থানান্তরিত করে। স্যামসুং ভিবিন্ন অঞ্চলে বৈচিত্যপূর্ণ।লি স্যামসুংকে ভিবিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্ঠা করেছিলেন।তারপর ১৯৪১ সালে হায়োং গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চো চো হাং- জা যৌথভসবে স্যামসাং মুলসান গঙ্গসা কর্পোরেশন নামে একটি নতুন সংস্থা বিনিয়োগ করেছিলেন।

বতর্মানে এটি স্যামসাং সিএন্ডটি কর্পোরেশনে পরিনত হয়েছে। কিছুদিন পর এরা দুই ব্যাবসায়ি একটি কারনে আালাদা হয়ে গেলো। ১৯৬০ সালের শেষের দিকে স্যামসুং গুরুপ ইলেকট্রনিক শিল্পে প্রবেশ করে। এটি ইলেকট্রিক সম্পর্কিত বিভাগ গঠন করে এবং সুউনে এই সুবিধাটি তৈরি করে। তাদের সর্বপ্রথম পন্যটি ছিল একটি সাদা-কালো টেলিভিশন।১৯৮২ সালে প্রবর্তিত এসপিসি- ১০০০, স্যামসুয়ের প্রথম ব্যক্তিগত কম্পিউটার যা কোরিয়ান বাজারে বিক্রি হয়েছিল এবং ডেটা লোডের জন্য একটি অডিও ক্যাসেট ঠেপ ব্যাবহার করেছিল।

২.Samsong কম্পানির মোবাইল ফোন উৎপাদন ও বিকাশ ১৯৮০-২০২০

১৯৮০ সালে টেলিযোগাযোগের হার্ডওয়্যার প্রবেশ করে। এর পন্য গুলো ছিল সুইচবোর্ড।এটি টেলিফোন উৎপাদনের ব্যাবস্থায় বিকশিত করেছিল এবং স্যামসাং এর মোবাইল ফোন উৎপাদনে কেন্দ্রস্থলে পরিনত হয়েছিল।তাই তারা আজ ৮০০ মিলিয়ন মোবাইল ফোন উৎপাদন করেছে।১৯৮৭ সালে এই প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুর পরে লি স্যামসুং গ্রুপকে চারটি ব্যবসায় বিভক্ত করা হয়। স্যামসাং গ্রুপ, শিনসেগে গ্রুপ, সিজে গ্রুপ ও জোংআংগ্রুপ। শিনসেগেই মূলত স্যামসাং গ্রুপের অংশ।

তারপর ১৯৯০ সালে সিজে গ্রুপও জোংআং গ্রুপের সাথে স্যামসাং গ্রুপের থেকে আলাদা হয়ে যায়। ২০১২ সালের হিসাবে স্যামসাং অস্টিন সুবিধায় ১৩,০০০,০০০,০০০ মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বৃহৎতম একক বিদেশী বিনিয়োগ হিসাবে চিহ্নিত করে তোলেন।২০১২ সালে প্রথম স্যামসাং ইলেকট্রনিক ইউনিট বিক্রয় করে বিশ্বের বৃহত্তম মোবাইল ফোন র্নিমাতা হয়ে ওঠে। ২৪ শে আগস্ট ২০১২, নয় জন আমেরিকান জুরি রায় দিয়েছেন যে স্যামসাং ইলেকট্রনিক প্রযুক্তিতে ছয়টি পোস্ট লঙ্গনের জন্য ১.০৫ বিলিয়ন ডলার দিতে হবে। স্যামসাং ও অ্যাপলের মধ্যে অনেক লড়াই চলেছিল।....(P>T>O)

আর পরতে নিচের লিংকে যান

১.https://tutorialbd.com/p/23024/.... স্যামসং এর ইতিহাস

২.https://tutorialbd.com/p/22986/....Nokia এর ইতিহাস

৩.https://tutorialbd.com/p/22897/...বিদ্যুৎ আবিস্কারের ইতিহাস

4.https://tutorialbd.com/p/22979/...i-phone এর ইতিহাস

(T>P>R)....২০১৫ সালে কয়েকটি বড় বড় কম্পানির যে কোনো সংস্থার চৈয়ে স্যামসুংকে আরো বেশি আমেরিকার পেটেন্ট দেওয়া হয়েছে। স্যামসুং ২0১৬ সালের ১০ অক্টোবর বিশ্বব্যাপি স্যামসাং নোট 7 স্মার্টফোন স্বরণ করিয়েছে এবং পরের দিন ফোনের উৎপাদন শেষ করে দেয়। এরপর ২০১৮ সালে ভারতের প্রধানমন্তী নরেন্দ্র মোদীসহ ভারতের নোডায় বিশ্বের বৃহতম মোবাইল উৎপাদন সুবিধা চালু করে। আসলেই স্যামসাং এর কম্পানির অনেক নাম মোবাইল এর দিক দিয়ে কিন্তু আমরা এখন সাধারন ধারনা পেলাম স্যামসাং কতবড় হতে পারে।এখন আমরা দেখি স্যামসাং কত বড়। আসলে স্যামসাংয়ের আরো অনেক কম্পানি আছে যেমন মোবাইল, কম্পিউটা, ল্যাপটপ ও ক্যামেরা ও স্যামসাং এর তৈরি। বিশ্বে স্যামসাংকে টেক্কা দেওয়ার মতো কম্পানি দ্বিতীয়টি হয় নি। বুর্জ খলিফা যা ডুবাইয়ে অবস্থিত যার উচ্চতা প্রায় আকাশ ছুই ছুই এটি কে বানিয়েছে।এটি বানিয়েছে এই স্যামসাং।

এছাড়াও ১৯৯৩ সাল থেকে আইফোনের মেমোরি চিবস তৈরি করে আসছে এই স্যামসাং।২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রস্তুত কারী কম্পানি ছিল এই স্যামসাং। এছাড়াও ২০০৬ সাল থেকে বেশি ডেলিভিশন প্রস্তুতকারীও ছিল এই স্যামসাং।২০১৭ সালে স্যামসাং বিশ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে শুধু মাত্র রির্সাচ ও ডেবলাপের জন্য যা এই প্রথম কম্পানি খরচ করেছেন। আমরা এখন স্যামসাং এর আয় এর পরিমানটি যেনে আসি। ২০১২ সালে স্যামসাং আয় করেছে ১৮৮ বিলিশন ডলার এবং ২০১৫ সালে আয় করেছে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার।এখন ২০২০ সালে তাদের টারগেট ৪০০ বিলিয়ন করার। স্যামসাং এত টাকা আয় করার মূল কারন হলো স্যামসাংয়ের ৮০ টি কম্পানি রয়েছে। এক একটি সেক্টরের মালিক একেক স্থানের। স্যামসাং এর অনেক কম্পানি রয়েছে যা এক এক রকমের কাজ করে থাকে। এছাড়াও সার্ভিসিং, ইলেকট্রনিক এর ও কাজ হয়ে থাকে। আবার স্যামসাং কম্পানি নামে জাহাজ ও রয়েছে।কোরিয়াতে স্যামসাং প্রতিবছর ১০০ ডলার খরচ করে যাচ্ছেন।এছাড়াও স্যামসাং চিকিৎসায় ও কাজ করে যাচ্ছে। আবার স্যামসাং সিটি ও স্যামসাং পার্ক ও রয়েছে যেখানে বিনদন দিয়ে থাকে। এছাড়াও স্যামসাং মিলিটারি বিমান ও তৈরি করে আসছে বহু দিন ধরে। আরও তৈরি করেছেন ট্যাক এবং রবর্ট ও তৈরি করেছন এই স্যামসাং।এছাড়াও স্যামসাং তৈরি করেছে টাওয়ার, ওয়ার্স ফোন যা দিয়ে মোবাইল এবং ঘড়ির কাজ করা যেত।এছাড়াও আরও অনেক কিছু রয়েছে যা স্যামসাং তৈরি করেছে। আর স্যামসাং যে কত বড় তা জানেতে জানতে শেষ হবে না।

Leave a Comment