এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণের হার ৬৭.৪১ শতাংশ

মোশতাক আহমেদ
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিবেদক

ঢাকা, মে ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ২০০৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণের হার ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।

এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বোর্ডে (৭৮.৭১%), সবচেয়ে কম রাজশাহী বোর্ডে (৫৮.৪১%)। ঢাকায় পাসের হার ৬৯ দশমিক ১১ শতাংশ।

১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সব মিলিয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৭০ দশমিক ৮৯ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছে। এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬২ হাজার ৩০৭ জন। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মোশতাক আহমেদ।

মঙ্গলবার বেলা ২টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গতবার পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ১৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৫২ হাজার ৫০০ জন।

এর আগে দুপুর ১টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী ও বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তার কার্যালয়ে ফলাফলের কপি হস্তান্তর করেন।

ঢাকা বোর্ডে এসএসসিতে পাশের হারের দিক থেকে সেরা হয়েছে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৫৪ জন। জিপিএ-৫ এর দিক থেকে সবার সেরা ভিকারুননিসা নুন স্কুল। এ স্কুলের ৮৮৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। মীরপুরের মণিপুর স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৫৬ জন। রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬৮ জন এবং মতিঝিল মডেল হাইস্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪৯ জন শিক্ষার্থী।

এ বছর এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১০ লাখ ৬৩ হাজার ৪৮৪ জন। এর মধ্যে এসএসসিতে ৮ লাখ ১ হাজার ৭০৯, দাখিলে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭১৮ জন এবং এসএসসি ভোকেশনালে ৭৫ হাজার ৫৭ জন পরীক্ষার্থী ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, বরিশাল, দিনাজপুর- এই আট বোর্ডের এসএসসিতে পাসের হার ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৭০ দশমিক ৮১ শতাংশ।

এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বোর্ডে ৭৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে সবচেয়ে কম পাস করেছে। সেখানে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৪১ শতাংশ।

এছাড়া ঢাকায় পাসের হার ৬৯ দশমিক ১১ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭২ দশমিক ৭৭ শতাংশ, যশোরে ৬৮ দশমিক ০১ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৬৯ দশমিক ৬১ শতাংশ, বরিশালে ৬৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং দিনাজপুরে ৬৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

এছাড়া দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এসএসসি ভোকেশনালে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭০ দশমিক ৯০ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা সচিব সৈয়দ আতাউর রহমান, যুগ্ম সচিব (মাধ্যমিক) মোয়েজ্জদ্দীন আহমেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নোমান উর রশীদসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

গত ১৫ ফেব্র"য়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছিল ১৮ মার্চ। তবে বিডিআর 'বিদ্রোহের' ঘটনায় কেবল ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আট পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা পরে বিশেষ ব্যবস্থায় নেওয়া হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমএ/এসএম/এজে/এসকে/১৪২৫ঘ.

Leave a Comment